Sep 15, 2008

বেহুদা কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা-২

৪।কটু ভাষণ ও গালমন্দ

মানুষকে আল্লাহ পাক সৃষ্টি করেছেন- সৃষ্টির সেরা হিসাবে। আধনিক যুগের নতুন নতুন আবিষ্কার এরই জ্বলন্ত প্রমাণ। মানুষের জ্ঞান ও মেধার কাছে সৃষ্টির কোন কিছুরই তলনা হয়না। আশা করা যায় এদিক থেকে মননশীল ও উত্তম ব্যবহারের অধিকারী হবে। কিন্তু তা না হয়ে পশুত্বের স্বভাব বিদ্যমান অনেক ক্ষেত্রে। এ জন্য মানুষের জন্য প্রেরিত আখেরি নবী মোহাম্মদ(সাঃ) বলেছেন- কোন কটুভাষী ও বদ স্বভাব বিশিষ্ট লোক জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না আরো বলেছেন- কেয়ামতের দিন আমার দৃষ্টিতে সবচাইতে অভিশপ্ত এবং আমা হতে সবচাইতে দূরে থাকবে বাচাল, অশ্লীলভাষী, ইলমের মিথ্যা দাবীদার ও অহংকারী ব্যক্তিগণ আর বদনাম করোনা বিকৃ্ত উপাধির সঙ্গে।

৫।শরমিন্দা করা

বিনা কারণে কাউকে অপদস্ত করা ভদ্রতা ও শরিয়তের খেলাফ। দোষে গুণে মানুষ। ভুল মানুষের হতেই পারে। কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল করে, কারো ভুল হয় অজানা বশতঃ। তাই বিচার বিশ্লেষণ ছাড়া কাউকে অহেতুক শরমিন্দা করা ঠিক নয়। কাউকে কিছু বলার প্রয়োজন থাকলেও সবার সামনে নয়।একান্তভাবে বসে হৃদ্যতার সাথে বলতে হবে যাতে উপকৃত হয়। কোরান বলেছে- আপন ভাইয়ের প্রতি দোষারোপ করো না।কারণ ইহা তিক্ততা সৃষ্টির উপকরণ। এতে শত্রুতা বাড়ায়।

৬।ছিদ্রান্বেষণ

কিছু কিছু মানুষের স্বভাব আছে কার কি দোষ আছে খুঁজে বের করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা। যা খুবই গর্হিত কাজ। রাসূল (সাঃ) বলেছেন- মুসলমানের দোষ খুঁজো না,কারণ যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের গোপন দোষ ও গুনাহ খুঁজতে থাকে, আল্লাহ তার গোপন দোষ ফাঁস করতে লেগে যান। আর আল্লাহ যার দোষ প্রকাশ করতে লেগে যান- তাকে তিনি অপমান করেই ছাড়েন। সে তার ঘরে লুকিয়ে থাকলেও

৭।উপহাস করা-

খেলাধুলার জন্য কৌ্তুক করা আর কাউকে অপমানিত করার জন্য উপহাস করা এক নয়। ইহাও এক প্রকার চরিত্র খনন। এই দোষটির জন্য বেহেস্তের স্বাদ থেকে বঞ্চিত করা হতে পারে।

রাসূল (সাঃ) বলেছেন- লোকদের প্রতি বিদ্রুপ প্রদর্শনকারী ব্যক্তির জন্য কেয়ামতের দিন জান্নাতের একটি দরজা খোলা হবে এবং তাকে বলা হবে-ভিতরে আসন, সে কষ্ট করে সেদিকে আসবে এবং দরজায় পৌঁছতেই দরজা বন্ধ হয়ে যাবে। এইভাবে কয়েকবার বেহেস্তের দরজায় পৌঁছে ও ঢুকতে না পেরে হতাশ হবে

তাই অপ্রয়োজনীয় কৌ্তক থেকেও বিরত থাকা বাঞ্চনীয়।

1 comment:

Yousuf said...

Salam. Why don't u update it anymore?