Aug 31, 2008

একঃ একাডেমিক জ্ঞান অর্জন

।।একঃ একাডেমিক জ্ঞান অর্জন।।

যে কোন কিছু অর্জন করতে সময় লাগে। প্রাথমিক শিক্ষার পর শুরু হয় মাধ্যমিক।তারপর উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ব বিদ্যালয়ের ক্রমধারা।নিজেকে একজন উচ্চ শিক্ষিত যুবক হিসেবে দেখতে চাইলে অবশ্যি আরও কয়েটা বছর অধ্যবসায় চালিয়ে যেতে হবে।যতই উপরের দিকে যাবে পড়ার অংগন ব্যাপক।তাই পাক প্রস্তুতি যাদের ভালো তাদের বেগ পেতে হয় না।বাংলা বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন আমার পছন্দের বাইরে।ভাল বিষয়ে পড়তে চাইলে ইংলিশে ভাল দক্ষতা আগে ভাগে অর্জন করতেই হবে।তাই হেলা না করে একজন ভাল দক্ষ শিক্ষকের কাছে লিখার ও বলার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে।পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে এদিক ওদিক যাবে।প্রাকৃ্তিক দৃশ্য দেখবে।তাতেও জ্ঞানের উন্মেষ ঘটে।কিন্তু অধিক সময় একাডেমিক জ্ঞান অবগাহনে নিজেকে ব্রত হতে হবে।ইহা এমন এক দক্ষতা কোন ধনরত্ন দিয়ে যা কিনতে পাওয়া যায় না।ধন শেষ হয়ে যেতে পারে কিন্তু নিজের জ্ঞান,মেধা,প্রঙ্গার শেষ নেই।ইহা অর্জিত হওয়া মানে নিজেকে অপ্রতিদ্বন্দী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করা।আমার একান্ত ইচ্ছা ও আকাঙ্খা একজন প্রতিভাবান উচ্চ শিক্ষিত মানুষ হিসেবে তোমাকে পাওয়া।তাই আগ্রহ নিয়ে অধ্যবসায় করে যাও।

চিন্তা ও পথ

চিন্তা ও পথ
ফেব্রুয়ারী,১৯৯৭ইং
পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু মেহেরবান আল্লাহ পাকের নামে শুরু করছি এবং দরূদ ও সালাম জানাই তারই পেয়ারা নবী এবং বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ) এর প্রতি।

আলহামদুলিল্লাহ। অবশ্যই সমস্ত প্রশংসা তারি প্রাপ্য।কারন তারই হাতে সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ।মানুষের হায়াত,মউত, রিযিক ,জান,সম্মান,জ্ঞান সবই তারই করায়ত্বে। মানুষকে যতটুকু জ্ঞান দিয়েছেন এর বেশি কিছুই বুঝা বা জানা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। সবকিছুতে এবাদতের যোগ্য আল্লাহ ছাড়া আর কেও নন।

তাই অবনত মস্তকে তারি দরবারে জানাই শুকরিয়া যিনি আমার আদরের শিশুটিকে ধীরে ধীরে বড় হতে করুণা করেছেন।আস্তে আস্তে জ্ঞানের জগতে বিচরণ করার জন্য বুদ্ধি , বিবেকের দ্বার উন্মুক্ত করেছেন। আজ এস.এস.সি পরিক্ষার্থী কাল বিশ্ব বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে সমাজ
জীবনে পা বাড়াবে।এই আশা আকাঙ্খা নিয়েই মানুষ এতো পরিশ্রম করে।নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে।পরিচিতি লাভ করে।সম্মানের পদে নিজেকে বসাতে সক্ষম হয়।

এই পথ সহজতর নয়।বহু পরিশ্রম ও ত্যাগের দরকার।আল্লাহ পাকের বিশেষ রহমত ছাড়া অতটুকুন অর্জন অসম্ভব। কারণ এই পথটি একটু পিচ্ছিল।অনেককে দেখেছি জ্ঞানের এই রাস্তায় সঠিক ভাবে টিকে থাকতে পারেনি। অনেকেই হয়েছে বিপদগামী। সন্ত্রাসী কাজ-কর্মের সাথে এমনভাবে জড়িয়ে পড়েছে যে হিংস্র জানোয়ারের চেয়েও খারাপ তার স্বভাব চরিত্র। মানুষ অন্তর দিয়ে ঘৃণা করে, বাঁকা চোখে দেখে, তবুও কিছুই বলেনা।বলার সাহসও নাই।প্রশাসনও নীরব।অথচ এটা খুব সুন্দরভাবেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।তাহলে উপায় কি??হাত পা গুটিয়ে বসে থাকবো কি ঘরে??
না, একটা সুন্দর পথ ও পন্থা ধরে এগিয়ে যেতে হবে।

আজকে আমার মতো আরো আনেক অভিভাবক হতাশ ও চিন্তাযুক্ত।সবসময় চিন্তায় অস্হির থাকেন কলেজ থেকে, বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে নিজ ছেলে মেয়ে নিরাপদে ফিরছে কিনা!!ছোটকাল থেকেই তুমি অনেক দূরে।ওরা কি শিখতে পারলো জানিনা।শুধু সার্টিফিকেট দিয়ে সব কিছু হয় না।যদি তাই হতো দেশে যারা প্রশাসন চালাচ্ছে তাদের চরিত্র উন্নত নয় কেন?? অথচ বাংলাদেশের ৯০% লোক মুসলিম।মুসলমান তাদের বলা হয় যারা আল্লাহ পাকের ন্যায় নীতির কাছে আত্ম সমর্পন করে এবং জীবনকে সঁপে দেয়। কিন্তু বড্ড অনুতাপের বিষয় কলেজ,বিশ্ব বিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট অর্জন করে নিজেদের চরিত্র উন্নত করাতো দূরের কথা বরং নিজের ধ্বংস করে চলেছে।ইহার একমাত্র কারণ আর কিছুই নয় আল্লাহ ও রাসূল(সাঃ)এর শিক্ষাকে অবজ্ঞা।

তাই প্রবাস জীবনে বসে কলম হাতে নিয়েছি।যাতে এমন কিছু প্রয়োজনীয় উপাদান, পথ ও পন্হার সন্ধান দিতে পারি যার বিনিময়ে এই নশ্বর পৃথিবীতে সুন্দর ও প্রশংসনীয় জীবনের সন্ধান পাও এবং আখেরাতে ও আল্লাহ ও রাসুল (সাঃ)এর সন্তুষ্টি অর্জন করতে সক্ষম হও।
আল্লাহ পাক তৌফিকদাতা।

ইহাই আমার পাওয়া এবং সাধনা তোমাদের পিছনে।আল্লাহ পাকের কাছে পুনঃ তৌফিক কামনা করছি যাতে কিছু হেদায়েত মূলক বক্তব্য লিখতে পারি।

কোন মানুষ ওহীর জ্ঞান অর্জন করতে পারে না- যতক্ষণ না আল্লাহর রহমত করণা বর্ষিত হয়। অহীর জ্ঞান মূলত এক প্রকারই- নূর! কোন মানুষ যখন ইহা আয়ত্ব করতে পারে দুনিয়ার সবকিছুই তখন তার আয়ত্বে চলে আসে। ইহাই ওহীর জ্ঞানের মোযেজ়া।
পিপড়া বসবাস করে এমন জায়গায় এক ফোটা মধু ফেলে দাও, দেখবে আস্তে আস্তে সব পিপড়া জড়ো হয়েছে।ইহা শুধু মধুর মোযেজ়া। অনুরূপ অহীর জ্ঞানে যারা সমৃদ্ধ তাদের কাছে মানুষ ভীড় করবেই।মানুষ কেন!! জানোয়ার ও তাকে স্মমান করে চলে।জ়েনে নিও কারো কাছে।
(পৃষ্ঠা ১-৬)

Aug 30, 2008

উপলব্ধি

।।বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।।

।।স্নেহের বাবা S-এর প্রতি কিছু উপদেশ।।

-উপলব্ধিঃ-

একটি গাছ একদিনে বড় হয় না।মানু্ষকেও জানতে হয়, বুঝতে হয় ধীরে ধীরে। যা লিখছি একদিনেই বুঝতে হবে এমন নয়। আস্তে আস্তে আয়ত্বের চেষ্টা করতে হবে।নিজের আগ্রহ ও প্রচেষ্টা হবে আসল। জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে এইভাবে।

আল্লাহ পাক তৌফিকদাতা।

“বুদ্ধিমান ঐ ব্যক্তি যে তার নফসকে অনুগত বানায় এবং মওতের পর (যা পাবে)সে উদ্দেশ্যে আমল করে।” আল- হাদীস।

ছবি- ডায়েরী দুটি...